Home / মিডিয়া নিউজ / ফিল্ম পলিটিক্স: বিপরীতমুখী অবস্থানে রিয়াজ-শাবনূর

ফিল্ম পলিটিক্স: বিপরীতমুখী অবস্থানে রিয়াজ-শাবনূর

প্রথম সিনেমার সফলতার কাঁধে ভর করে গড়ে ওঠে জুটি। পছন্দের জুটির সিনেমা দেখার জন্য

দর্শক দিনের পর দিন অপেক্ষা করেন। দর্শকের সেই আগ্রহে ঢালিউড জন্ম দিয়েছে একাধিক জনপ্রিয় জুটির।

মূলধারার বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল জুটি হিসেবে রিয়াজ-শাবনূর সমাদৃত। নব্বইয়ের দশক

থেকে এখন পর্যন্ত তারা ৪৩টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। বেশিরভাগ সিনেমা পেয়েছে ব্যবসায়িক সাফল্য।

তবে একটা সময় তাদের জুটি ভেঙে যায়। এজন্য রিয়াজ ‘ফিল্ম পলিটিক্স’কে দায়ী করেন।

বিয়াজের কথায়, ‘একসময় রিয়াজ-শাবনূর জুটি অপ্রতিরোধ্য ছিল। এরপর এই জুটি ফিল্মে নানা পলিটিক্সের শিকার হয়। তারপর দুর্ভাগ্যজনকভাবে জুটিটা ভেঙে যায়।’

কী ধরনের পলিটিক্স— জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি অভিনয়ের দিকেই বেশি ব্যস্ত থাকতাম। অভিনয়ের বাইরেও একধরনের যোগাযোগ রাখতে হয় বুকিং এজেন্টদের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া, মন রক্ষা করা, হিট ছবিকে ফ্লপ বানানো, আবার ফ্লপ ছবিকে হিট বানানো— এ ধরনের বিষয় সম্পর্কে আমি অবগত ছিলাম না তেমন।’

রিয়াজ আরও বলেন, ‘ওই সময় অনেকে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে শাবনূরকে নতুন জুটি গড়ার বুদ্ধি দেন। মাসুম বাবুল, এফ আই মানিক ও জেড এইচ মিন্টু ছিলেন পালের গোদা। আমি ভেবেছিলাম, তাদের কথা শাবনূর শুনবেন না। কিন্তু তিনি তাদের কথা শুনেছেন। ফলে রিয়াজ-শাবনূর জুটি সেখানেই শেষ হয়ে যায়। আমিও নতুন জুটি গড়ার দিকে মনোযোগ দেই।’

তবে শাবনূরের মত ভিন্ন। তিনি মনে করেন, রিয়াজ-শাবনূর জুটি ভাঙার পেছনে কোনো ‘ফিল্ম পলিটিক্স’ জড়িত নয়। এটা রিয়াজের ভুল ধারণা।

শাবনূর বলেন, ‘এখানে পলিটিক্সের কোনো প্রশ্নই আসে না। একটা জুটি সারাজীবন থাকে না। নতুন নতুন জুটি তৈরি হয়। আর এক জুটিকে মানুষ সবসময় পছন্দ করবেন, এটাও না। রিয়াজের সঙ্গে পরবর্তী সময়ে আমার সিনেমা প্রস্তাব আসেনি বলেই হয়ত ছবি করা হয়নি। এটা আসলে পরিচালকদের বিষয়। তারাই ভালো বলতে পারেন, কোন চরিত্রে কাকে মানাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে আমাকে দোষারোপ করেন যে, আমার কারণে নাকি অনেকে অনেক ছবিতে অভিনয় করতে পারেননি। এটা আসলে একদম ভুল। আমি কারও ছবি করতে না পারার জন্য দায়ী নই।’

রিয়াজ-শাবনূর জুটির প্রথম সিনেমা ‘তুমি শুধু তুমি’। ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৯৭ সালে। ছবিটি ছিল ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ। এই জুটির সবশেষ সিনেমা ‘শিরি ফরহাদ’। ২০১৩ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি। যদিও ছবিটি দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল। এটিও ব্যবসায়িকভাবে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়।

এই জুটির প্রথম ও শেষ ছবি ব্যবসা না করলেও মাঝের অনেক ছবি ব্যবসায়িকভাবে সফল হয়েছে। সেই ছবিগুলো এখনও রিয়াজ-শাবনূর জুটিকে দর্শকের মাঝে বাঁচিয়ে রেখেছে।

Check Also

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুললেন মিথিলা

তাহসানের সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনের সমাপ্তি ঘটানোর পর কলকাতার পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে গাঁটছড়া …

Leave a Reply

Your email address will not be published.