Home / মিডিয়া নিউজ / মাধুরীর পোশাকের দাম ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকা

মাধুরীর পোশাকের দাম ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকা

বলিউড তারকা মাধুরী দীক্ষিতের পোশাক একবার তিন কোটি রুপিতে নিলামে উঠেছিল। অবাক হচ্ছেন?

অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটাই বলিউডের পরম্পরা বলা যায়। বলিউডের এক শ বছরের ইতিহাসে এ রকম অবাক করার মতো অনেক ঘটনাই আছে।

চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মনে নিশ্চয় কৌতূহল জন্মায় যে ছবিতে অভিনেতাদের ব্যবহার করা পোশাক পরে কী করা হয়। বলিউডের নিলামের রেওয়াজ অনেক পুরোনো। সিনেমাতে নায়ক-নায়িকাদের পরা পোশাক অনেক সময় খুব জনপ্রিয় হয়। এসব পোশাকের জন্য নিলাম ডাকা হয়। ‘জংলি’ ছবিতে শাম্মী কাপুরের ব্যবহার করা স্কার্ফ নিলামে ১ লাখ ৫৬ হাজার রুপিতে বিক্রি হয়। ‘রকস্টার’ ছবিতে কাপুর পরিবারের দুই প্রজন্মকে একই ফ্রেমে দেখা যায়।

এই ছবিতে শাম্মী কাপুরকে সানাই আর রণবীর কাপুরকে গিটার বাজাতে দেখা যায়। সম্প্রতি শাম্মী কাপুরের বাজানো সানাইটি নিলাম হয়েছে। সঞ্জয় লীলা বানসালি তাঁর ছবিতে নায়িকাদের জন্য অত্যন্ত দামি পোশাক ব্যবহার করেন। তাঁর পরিচালিত ‘দেবদাস’ ছবিতে মাধুরী দীক্ষিত ‘মার ডালা গানটিতে’ ১৫ লাখ রুপির চোখ ধাঁধানো ঘাগড়া-চোলি পরেছিলেন। দামি মণি-মুক্তা খচিত এই পোশাকটি সবার নজর কাড়ে। এই পোশাকটি পরে তিন কোটি রুপিতে নিলাম করা হয়। যা দাম বাংলাদেশি প্রায় দাম ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকা।

এ ছাড়া ‘রাওয়ান’ ছবিতে শাহরুখের পোশাক, আমিরের ‘লাগান’ ছবির ব্যাট, ‘মুঝসে শাদি কারোগি’ ছবিতে সালমান খানের ব্যবহার করা তোয়ালে এবং ‘বেটা’ ছবির শিহরণ জাগানো ‘ধক ধক কারনে লাগা’ গানে মাধুরীর পোশাক লাখ রুপিতে নিলাম করা হয়।

‘হিরোইন’ ছবিতে কারিনা কাপুরের গোলাপি শাড়িটাও নিলামে উঠেছিল। নিলাম থেকে উপার্জিত অর্থ পরে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‘জোকার’ ছবিতে অক্ষয় এবং সোনাক্ষী সিনহার ব্যবহৃত গ্রামীণ পোশাকগুলোও নিলামে ওঠার কথা। এ থেকে উপার্জিত অর্থ প্রাণী উন্নয়নে খরচ করা হবে। ‘ওহ মাই গড’ সিনেমায় অক্ষয় কুমারের ব্যবহার করা একটা স্যুটও নিলামে উঠবে।

এই টাকা ভারতের মুক্তাঙ্গন স্কুলের জন্য ব্যয় করা হবে। এমনকি ‘জিসম ২’ ছবিতে সানি লিওনের ব্যবহার করা অন্তর্বাস এবং রণদীপ হুডার পোশাক নির্মাতা পূজা ভাট টুইট করে নিলামের কথা ঘোষণা করেন।

নিলাম ছাড়া ছবির নায়ক-নায়িকাদের ব্যবহার করা পোশাক অথবা অন্যান্য সামগ্রী বাক্সবন্দী করে রাখা হয়। বাক্সগুলোর ওপর লেবেল লাগানো হয়। পরে লেবেল দেখে জানা যায় কোন বাক্সে কোন ছবির পোশাক আছে। বেশির ভাগ প্রযোজনা সংস্থা পোশাকগুলো যত্নের সঙ্গে তুলে রাখে। পরবর্তী ছবির সময় অভিনেতাদের ব্যবহার করা পোশাকগুলো জুনিয়র আর্টিস্টদের পরতে দেওয়া হয়।

আবার অনেক সময় নায়ক-নায়িকারা তাঁদের প্রিয় অথবা সফল ছবিতে ব্যবহৃত পোশাকগুলো নিজেদের কাছেই রেখে দেন। কোনো ফ্যাশন ডিজাইনার ছবির অভিনেতাদের জন্য বিশেষ ডিজাইন করা পোশাক অনেক সময় আবার ফেরতও নিয়ে নেন। ‘বোম্বে ভেলভেট’ ছবিতে আনুশকা শর্মা ৩৫ কিলো ওজনের একটা সবুজ রঙের অত্যন্ত আকর্ষণীয় পোশাক পরেছিলেন। এই পোশাকটির ডিজাইনার নীহারিকা পরে তা ফেরত নিয়ে নেন।

Check Also

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুললেন মিথিলা

তাহসানের সঙ্গে ১১ বছরের সংসার জীবনের সমাপ্তি ঘটানোর পর কলকাতার পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে গাঁটছড়া …

Leave a Reply

Your email address will not be published.